আ বি শা র ১ ৪
I Love ALLAH. Al-Qran is the complete code of life.

আবিশার ১৪

আমি রবিউল ইসলাম। BUBT তে পড়াশোনা করি। ব্লগ লিখতে মন চাইলেও লিখতে পারি না। যাই হোক এবার লিখব, আল্লাহ্‌র দয়ায় আপনাদের জন্য যতটা পারি লিখব। আশা করি মাসে ৪-৫ তা টপিক লিখতে পারব। আর BUBT ফ্রেন্ডস তোমরা মন খারাপ করোনা। তোমাদের জন্য বিশেষ কিছু …………

বিস্ময়কর বিষয়, দয়া করে পড়ুন এবং চিন্তা করুণ !

মনোযোগ দিয়ে পড়ি, বোঝার চেষ্টা করি......... ১. ১০০ টাকা মসজিদে কতই না বড় দেখায়, অথচ শপিংমলে কত না ছোট ! ২. মসজিদে দুই ঘণ্টা ইবাদত করা কত দীর্ঘ সময়, কিন্তু সিনেমা হলে তা দ্রুতই শেষ হয়ে যায় !

আল্লাহ্‌কে ডাকার বৈজ্ঞানিক উপকারিতা

নেদারল্যান্ডের মনোবিজ্ঞানী ভ্যান্ডার হ্যাভেন প্রবিত্র কোরআন অধ্যয়ন ও বারবার ‘আল্লাহ্‌’ শব্দটি উচ্চারণে রোগী ও স্বাভাবিক মানুষের ওপর তার প্রভাব সম্পর্কিত একটি আবিষ্কারের কথা ঘোষণা করেছেন...

পিএইচপি মাইএসকিউএল [পর্ব-১]

আস্সলামুয়ালাইকুম। আশা করি আল্লাহ্‌র রহমতে আপনারা সবাই ভাল আছেন। পর সমাচার আমি আপনাদের সাথে কিছু শেয়ার করার জন্য আসলাম। আজ লিখব.....

পিএইচপি মাইএসকিউএল [পর্ব-২]

ধরে নেই আমাদের কম্পিউটারে প্রয়োজনীয় সফটওয়্যারগুলো ইন্সটল দেওয়া আছে। তো এখন আর কথা না বাড়িয়ে শুরু করে দেই.........

ইসলাম লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
ইসলাম লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

রবিবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৩

পুরুষগণ কোন ধরনের মহিলার সাথে দেখা-সাক্ষাৎ করতে পারবে

পুরুষগণ নিন্মে বর্ণিত ১৪ শ্রেণীর মহিলার সাথে দেখা-সাক্ষাৎ করতে পারবে এবং তাদেরকে বিবাহ করা হারাম।

১. আপন মা।

২. আপন দাদী,নানী ও তাদের ঊধ্বতন মহিলাগণ।

৩. সহোদর বোন, বৈমাত্রেয় ও বৈপিত্রেয় বোন।

৪. আপন মেয়ে, ছেলের মেয়ে, মেয়ের মেয়ে এবং তাদের গর্ভজাত যে কোন কন্যা সন্তান ও আপন ছেলে    সন্তানদের স্ত্রী।

৫. যে স্ত্রীর সঙ্গে দৈহিক মিলন সংঘটিত হয়েছে তার পূর্ববর্তী বা পরবর্তী স্বামীর কন্যা সন্তান এবং স্ত্রীর মা অর্থাৎ     শাশুড়ী, নানী শাশুড়ী ও দাদী শাশুড়ী।

৬. ফুফু অর্থাৎ পিতার সহোদর, বৈমাত্রেয় ও বৈপিত্রেয় বোন।

৭. খালা অর্থাৎ মায়ের সহোদর, বৈমাত্রেয় ও বৈপিত্রেয় বোন।

৮. ভাতিজী অর্থাৎ সহোদর, বৈমাত্রেয় ও বৈপিত্রেয় ভাইয়ের মেয়ে ও তাদের অধঃস্তন কন্যা সন্তান।

৯. ভাগ্নী অর্থাৎ সহোদর, বৈমাত্রেয় ও বৈপিত্রেয় বোনের মেয়ে ও তাদের অধঃস্তন কন্যা সন্তান।

১০. দুধ সম্পর্কীয় মেয়ে, মেয়ের মেয়ে, ছেলের মেয়ে ও তাদের অধঃস্তন কোন কন্যা সন্তান এবং দুধ সম্পর্কীয়    ছেলের স্ত্রী।

১১. দুধ সম্পর্কীয় মা, খালা, ফুফু, নানী, দাদী ও তাদের ঊধ্বতন  মহিলাগণ।

১২. দুধ সম্পর্কীয় বোন, দুধ বোনের মেয়ে, দুধ ভাইয়ের মেয়ে এবং তাদের গর্ভজাত যে কোন কন্যা সন্তান।

১৩. যৌন শক্তিহীন এমন বৃদ্ধা, যার প্রতি পুরুষের কোন প্রকার আকর্ষণ নেই।

১৪. অপ্রাপ্ত বয়স্কা এমন বালিকা, যার প্রতি পুরুষদের এখনও যৌন আকর্ষণ সৃষ্টি হয়নি।

উল্লেখ্য ১৩ ও ১৪ নং বর্ণিত মেয়েদের সাথে বিবাহ জায়েয আছে।

উপরোক্ত মহিলাগণ ব্যতীত পুরুষের জন্য অন্য কোন মহিলার সাথে দেখা-সাক্ষাৎ মোটেও জায়েয নয়, বরং সম্পূর্ণ নাজায়েয ও হারাম।

[সূরা নিসা ২৩, তাফসীরে মাযহারী -২/২৫৪, মা’আরিফুল কুরআন, ২/৩৫৬-৩৬১]

--- সংগ্রহঃ কিতাবুস সুন্নাহ(শর’ই পর্দা) --

কোরআনে কারীম তিলাওয়াতের তিনটি বিশেষ উপকার


১. দিলের জং (গুনাহের কালিমা) মুছে যায়।

[ শুআবুল ঈমান ৩/৩৯, হাদীস নং-১৮৫৯  ]

২. আল্লাহ্‌ তা’আয়ালার মহব্বত বৃদ্ধি পায়।

[ সূরা আনফাল, ২/শুআবুল ইমান,৩/৩৯৪,হাদীস নং-১৮৬৩]

৩. প্রত্যেক হরফে কমপক্ষে ১০টি করে নেকী পাওয়া যায়, না বুঝে পড়লেও।

[ তিরমিযী, হাদীস নং-২৯১০, মুস্তাদরাক, হাদীস নং-২০৪০ ]

কেউ যদি বলে, না বুঝে পড়লে কোন লাভ নেই, তাহলে সে বাক্তি জাহেল বা বদদীন অথবা উভয়টি।

---সংগ্রহঃ কিতাবুস সুন্নাহ [ নবীজীর (সাল্লল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) সুন্নত ]--

বৃহস্পতিবার, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০১৩

বিস্ময়কর বিষয়, দয়া করে পড়ুন এবং চিন্তা করুণ !

মনোযোগ দিয়ে পড়ি, বোঝার চেষ্টা করি.........  

 

১. ১০০ টাকা মসজিদে কতই না বড় দেখায়, অথচ শপিংমলে কত না ছোট !

২. মসজিদে দুই ঘণ্টা ইবাদত করা কত দীর্ঘ সময়, কিন্তু সিনেমা হলে তা দ্রুতই শেষ হয়ে যায় !

৩. তারাবীহ নামাজে দীর্ঘ ১ ঘণ্টা সময় লাগে, অথচ একটা ফুটবল ম্যাচ মাত্র ৯০ মিনিট !

৪. একটু ক্রিকেট ম্যাচ অতিরিক্ত সময় অতিবাহিত হলে কিছুই মনে হয় না বরং উত্তেজনক… কিন্তু জুম’আর খুতবা একটু দীর্ঘায়িত হলে তা বিরক্তিকর !

৫. কোরআনের একটি আয়াত পড়া খুবই কষ্টকর মনে হয়, অথচ ২০০ পৃষ্ঠার উপন্যাস, গল্পের বই পড়া কত সহজ !

৬. কনসার্ট বা খেলার মাঠে সামনের আসনে বসার জন্য উদগ্রীব হই, অথচ মসজিদে পিছনের কাতারে বসতেও ইস্তত বোধ করি !

৭.  সংবাদ পত্রের খবর আমরা কত সহজে বিশ্বাস করি, কিন্তু দুঃখের বিষয় আল্লাহ্‌র বাণী, কোরআনের একটি আয়াত বিশ্বাস তথা মান্য করতে আমাদের অনেক কষ্ট হয় !

৮. বিজ্ঞাপনের নোংরা লিফলেট অথবা অশ্লীল বিষয় কত দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে, কিন্তু আল্লাহ্‌র বাণী প্রচার করতে আমরা হাজার বার চিন্তা করি !

সুতরাং আসুন মুসলমান ভাই ও বোনেরা চিন্তা করি আমাদের মুসলমানদের অবস্থান কোথায়।

সংগ্রহঃ মোহাম্মাদ কামরুল আহসান [ সংক্ষিপ্ত পরিমার্জিত ]

আল্লাহ্‌কে ডাকার বৈজ্ঞানিক উপকারিতা

নেদারল্যান্ডের মনোবিজ্ঞানী ভ্যান্ডার হ্যাভেন প্রবিত্র কোরআন অধ্যয়ন ও বারবার ‘আল্লাহ্‌’ শব্দটি উচ্চারণে রোগী ও স্বাভাবিক মানুষের ওপর তার প্রভাব সম্পর্কিত একটি আবিষ্কারের কথা ঘোষণা করেছেন। ওলন্দাজ এই অধ্যাপক বহু রোগীর ওপর দীর্ঘ তিন বছর পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালিয়ে অনেক গবেষণারপর এই আবিষ্কারের কথা ঘোষণা করেন। যেসব রোগীর ওপর তিনি সমীক্ষা চালান তাদের মধ্যে অনেক অমুসলিমও ছিলেন, যারা আরবি জানেন না। তাদের পরিষ্কারভাবে ‘আল্লাহ্‌’ শব্দটি উচ্চারণ করার প্রশিক্ষণ দেয়া হয়। এই প্রশিক্ষণের ফল ছিল বিস্ময়কর, বিশেষ করে যারা বিষণ্ণতা ও মানসিক উত্তেজনায় ভুগছিলেন তাদের ক্ষেত্রে। সৌদি আরব থেকে প্রকাশিত দৈনিক আল-ওয়াতান প্রত্রিকা হ্যাভেনের উদ্ধৃতি দিয়ে জানায়, আরবি জানা মুসলমানরা যারা নিয়মিত কোরআন তিলাওয়াত করেন তারা মানসিক রোগ থেকে রক্ষা পেতে পারেন। ‘আল্লাহ্‌’ কথাটি কিভাবে মানসিক রোগ নিরাময়ে সাহায্য করে তার ব্যাখ্যাও তিনি দিয়েছেন। তিনি তার গবেষণা কর্মে উল্লেখ করেন, ‘আল্লাহ্‌’ শব্দটির প্রথম বর্ণ আলিফ আমাদের শ্বাসযন্ত্র থেকে আসে বিধায় তা শ্বাস-প্রশ্বাস নিয়ন্ত্রণ করে। তিনি আরও বলেন, লাম বর্ণটি উচ্চারণ করতে গেলে জিহ্বা উপরের মাড়ি সামান্য স্পর্শ করে একটি ছোট বিরতি সৃষ্টি করে এবং তারপর একই বিরতি দিয়ে এটাকে বারবার উচ্চারণ করতে থাকলে আমাদের শ্বাসযন্ত্রে একটা স্বস্তিবোধ হতে থাকে। শেষ বর্ণ হা –এর উচ্চারণ আমাদের ফুসফুস ও হৃদযন্ত্রের মধ্যে একটা যোগসূত্র সৃষ্টি করে তা আমাদের হৃদযন্ত্রের স্পন্দনকে নিয়ন্ত্রণ করে।
—সংগ্রহকৃত—